ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা: আহত সারজিস-নাসীরুদ্দীনসহ অন্তত ১০, বুধবার দেশব্যাপী প্রতিবাদের ডাক

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / ৪১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই জাগরণ পদযাত্রা’ কর্মসূচি ঘিরে ২৮ জুলাই হবিগঞ্জে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের থানার মোড় এলাকায় এই সংঘর্ষে দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী ও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় সাংবাদিকদের একাধিক গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সদরে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেন এবং সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। এরপর বিকেলে হবিগঞ্জ টাউন হলের সামনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহর সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সারজিস আলম ও স্থানীয় এনসিপি নেতাকর্মীরা নিরাপত্তার জন্য শহরের একটি সোনালী ব্যাংক শাখায় আশ্রয় নেন, আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিরাপদে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। পরে পুলিশ পাহারায় তারা হবিগঞ্জ ছেড়ে যান।

আহতদের মধ্যে কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটেছে বলে জানা গেছে। জেলা সদস্যসচিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং একজনের চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে হাসপাতালের সামনেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক সাংবাদিক সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও হামলার শিকার হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অতর্কিত ও সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে, এবং এতে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই এই হামলা সংঘটিত হয়েছে।

সারজিস আলম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন:

“আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটে গেছে। জেলা সদস্য সচিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। একজনের চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতালের সামনেই আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।”

তিনি হামলার জন্য ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করে দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দেন:

“এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি। যদি পারে আমাদের মেরে ফেলবে, এখান থেকে প্রয়োজনে আমাদের লাশ যাবে। কিন্তু এর বিচার ও জবাব দিতেই হবে।”

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন:

“হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ও অতর্কিত হামলা চালায়।”

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, হামলায় সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আহত হয়েছেন এবং হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী। দলের মিডিয়া সেলের সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত জানান, পূর্ব-ঘোষিত পথসভা শেষ হওয়া মাত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও এক ফেসবুক পোস্টে হামলার নিন্দা জানিয়ে বিএনপিকে দায়ী করেছেন।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতারা। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন:

“শান্তিপূর্ণ হবিগঞ্জ শহরে কেউ যদি এসে অশালীন বক্তব্য দিয়ে শহরকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে। অন্য কেউ এর দায়ভার নেবে না। এ ঘটনার সাথে ছাত্রদল বা বিএনপির কেউ জড়িত নয়।”

তিনি আরও দাবি করেন, এনসিপি নেতাদের আপত্তিকর বক্তব্যের জেরে ক্ষুব্ধ জনতা তাদের ধাওয়া করেছে, এবং এতে ছাত্রদলের কোনো ভূমিকা নেই। জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমানও একই সুরে বলেন, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং এর জেরেই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনার পর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনসিপির নতুন কর্মসূচি: বুধবার দেশব্যাপী প্রতিবাদ সমাবেশ

হবিগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক জরুরি সাংগঠনিক নির্দেশনায় বুধবার (২৯ জুলাই) সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব সাংগঠনিক ইউনিটকে কর্মসূচি সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতেই ঢাকার বাংলামোটরে হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি পালন করে এনসিপি।

উল্লেখ্য, ‘জুলাই জাগরণ পদযাত্রা ২০২৬’ এনসিপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’-এর অংশ, যার আওতায় সারা দেশে জেলায় জেলায় পথসভা ও পদযাত্রা পরিচালনা করছে দলটি। এর আগেও কিশোরগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় এই কর্মসূচি ঘিরে হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে দলটি প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিল।

ছবিঃ দৈনিক আমার দেশ এর সৌজন্যে

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা: আহত সারজিস-নাসীরুদ্দীনসহ অন্তত ১০, বুধবার দেশব্যাপী প্রতিবাদের ডাক

আপডেট সময় ০৫:১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই জাগরণ পদযাত্রা’ কর্মসূচি ঘিরে ২৮ জুলাই হবিগঞ্জে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের থানার মোড় এলাকায় এই সংঘর্ষে দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী ও কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ সময় সাংবাদিকদের একাধিক গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সদরে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেন এবং সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। এরপর বিকেলে হবিগঞ্জ টাউন হলের সামনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে পদযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহর সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সারজিস আলম ও স্থানীয় এনসিপি নেতাকর্মীরা নিরাপত্তার জন্য শহরের একটি সোনালী ব্যাংক শাখায় আশ্রয় নেন, আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিরাপদে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। পরে পুলিশ পাহারায় তারা হবিগঞ্জ ছেড়ে যান।

আহতদের মধ্যে কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটেছে বলে জানা গেছে। জেলা সদস্যসচিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয় এবং একজনের চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে হাসপাতালের সামনেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক সাংবাদিক সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও হামলার শিকার হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অতর্কিত ও সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে, এবং এতে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই এই হামলা সংঘটিত হয়েছে।

সারজিস আলম ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন:

“আমাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটে গেছে। জেলা সদস্য সচিবকে রড দিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। একজনের চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতালের সামনেই আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।”

তিনি হামলার জন্য ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করে দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দেন:

“এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি। যদি পারে আমাদের মেরে ফেলবে, এখান থেকে প্রয়োজনে আমাদের লাশ যাবে। কিন্তু এর বিচার ও জবাব দিতেই হবে।”

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন:

“হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ও অতর্কিত হামলা চালায়।”

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, হামলায় সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আহত হয়েছেন এবং হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী। দলের মিডিয়া সেলের সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত জানান, পূর্ব-ঘোষিত পথসভা শেষ হওয়া মাত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়। দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও এক ফেসবুক পোস্টে হামলার নিন্দা জানিয়ে বিএনপিকে দায়ী করেছেন।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতারা। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন:

“শান্তিপূর্ণ হবিগঞ্জ শহরে কেউ যদি এসে অশালীন বক্তব্য দিয়ে শহরকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে। অন্য কেউ এর দায়ভার নেবে না। এ ঘটনার সাথে ছাত্রদল বা বিএনপির কেউ জড়িত নয়।”

তিনি আরও দাবি করেন, এনসিপি নেতাদের আপত্তিকর বক্তব্যের জেরে ক্ষুব্ধ জনতা তাদের ধাওয়া করেছে, এবং এতে ছাত্রদলের কোনো ভূমিকা নেই। জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমানও একই সুরে বলেন, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং এর জেরেই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনার পর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনসিপির নতুন কর্মসূচি: বুধবার দেশব্যাপী প্রতিবাদ সমাবেশ

হবিগঞ্জের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক জরুরি সাংগঠনিক নির্দেশনায় বুধবার (২৯ জুলাই) সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব সাংগঠনিক ইউনিটকে কর্মসূচি সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতেই ঢাকার বাংলামোটরে হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি পালন করে এনসিপি।

উল্লেখ্য, ‘জুলাই জাগরণ পদযাত্রা ২০২৬’ এনসিপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’-এর অংশ, যার আওতায় সারা দেশে জেলায় জেলায় পথসভা ও পদযাত্রা পরিচালনা করছে দলটি। এর আগেও কিশোরগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় এই কর্মসূচি ঘিরে হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে দলটি প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিল।

ছবিঃ দৈনিক আমার দেশ এর সৌজন্যে