আজ ১৪ জুলাই ২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত চিত্র
- আপডেট সময় ১১:৫০:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
- / ২৮ বার পড়া হয়েছে
সার্বিক অবস্থা
সাত জেলা — সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত আছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়-এর হিসাবে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে এবং ৬ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চট্টগ্রামে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা
চট্টগ্রামে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায়, যেখানে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ এখনও পানিবন্দি। জেলার ১৬টি উপজেলার ১৭৬টি ইউনিয়নে ৬ লাখের বেশি মানুষ বন্যাকবলিত এবং এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ২৮১টি বসতঘর, ২১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ১৪৫টি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নদ-নদীর পরিস্থিতি
- তিস্তা: টানা ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নীলফামারীর তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ ডালিয়া পয়েন্টে ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে।
- উত্তরাঞ্চল: নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব বা কিছুটা অবনতি হতে পারে।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল: তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহে পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে।
আশার খবর
কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে, যদিও ধীরগতিতে — সঙ্গে ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন: কোথাও বাড়িঘর ধসে পড়েছে, রাস্তাঘাট ধসে গেছে, সবজি ক্ষেত ও পোলট্রি খামার ধ্বংস হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী মঙ্গলবার (আজ) থেকে সার্বিক আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য উন্নতির সম্ভাবনা আছে, তবে চট্টগ্রামে আরও ভারী বৃষ্টির শঙ্কাও রয়ে গেছে।
উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো একযোগে কাজ করছে।









