ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরঃ কয়েকদিনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শেষ

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ — রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষের অনলাইন টিকেটিং পোর্টাল অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিনের অগ্রিম টিকেট ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

জাদুঘরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবারের (৬ আগস্ট) সকল স্লটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে অথবা বিক্রি শেষ হয়ে গেছে, এবং আগামী শুক্র ও শনিবারের (৭, ৮, ১৪, ১৫ আগস্ট) টিকেটও সম্পূর্ণরূপে বিক্রি হয়ে গেছে। আগ্রহী দর্শনার্থীরা আপাতত ১১ আগস্ট থেকে পরবর্তী তারিখগুলোর জন্য বুকিং করতে পারছেন।

টিকেট কেনার পদ্ধতি

দর্শনার্থীদের জাদুঘরের ওয়েবসাইট july36.gov.bd-এর মাধ্যমে অনলাইনে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়। প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে সম্পন্ন হয়— প্রথমে ভিজিটের তারিখ নির্বাচন, এরপর নির্দিষ্ট সময়ের স্লট বাছাই এবং সবশেষে টিকেটের ধরন ও সংখ্যা নির্ধারণ করে চেকআউট সম্পন্ন করতে হয়। টিকেটের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে দর্শনার্থীর শ্রেণিভেদে— বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৫০ টাকা, শিশুদের (৩-১২ বছর) জন্য ২০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা এবং বিদেশি পর্যটকদের জন্য ২ হাজার টাকা।

খোলা ও বন্ধের সময়সূচি

জাদুঘরটি সপ্তাহে ছয়দিন দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে জাদুঘরটি। তবে প্রতি বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে এবং সরকারি ছুটির দিনগুলোতে জাদুঘরটি বন্ধ থাকে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

অবস্থান

জাদুঘরটি রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে গুগল ম্যাপের মাধ্যমে দিকনির্দেশনার ব্যবস্থাও রেখেছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজেই স্থানটি খুঁজে পেতে পারেন।

জাদুঘরের প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন পরবর্তীতে একটি ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই ৩৬ দিনের আন্দোলনে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই জাদুঘর। জাদুঘরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সেখানে ১৪০০-র বেশি শহীদ এবং ১২ হাজারের বেশি আহত ব্যক্তির স্মৃতি সংরক্ষিত ও প্রদর্শিত হচ্ছে।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের আগেভাগে অনলাইনে টিকেট বুকিং নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে, যেহেতু প্রতিদিনের স্লট দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরঃ কয়েকদিনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শেষ

আপডেট সময় ০৫:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ — রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে দর্শনার্থীদের ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষের অনলাইন টিকেটিং পোর্টাল অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিনের অগ্রিম টিকেট ইতিমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

জাদুঘরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবারের (৬ আগস্ট) সকল স্লটের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে অথবা বিক্রি শেষ হয়ে গেছে, এবং আগামী শুক্র ও শনিবারের (৭, ৮, ১৪, ১৫ আগস্ট) টিকেটও সম্পূর্ণরূপে বিক্রি হয়ে গেছে। আগ্রহী দর্শনার্থীরা আপাতত ১১ আগস্ট থেকে পরবর্তী তারিখগুলোর জন্য বুকিং করতে পারছেন।

টিকেট কেনার পদ্ধতি

দর্শনার্থীদের জাদুঘরের ওয়েবসাইট july36.gov.bd-এর মাধ্যমে অনলাইনে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়। প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে সম্পন্ন হয়— প্রথমে ভিজিটের তারিখ নির্বাচন, এরপর নির্দিষ্ট সময়ের স্লট বাছাই এবং সবশেষে টিকেটের ধরন ও সংখ্যা নির্ধারণ করে চেকআউট সম্পন্ন করতে হয়। টিকেটের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে দর্শনার্থীর শ্রেণিভেদে— বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৫০ টাকা, শিশুদের (৩-১২ বছর) জন্য ২০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা এবং বিদেশি পর্যটকদের জন্য ২ হাজার টাকা।

খোলা ও বন্ধের সময়সূচি

জাদুঘরটি সপ্তাহে ছয়দিন দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে জাদুঘরটি। তবে প্রতি বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে এবং সরকারি ছুটির দিনগুলোতে জাদুঘরটি বন্ধ থাকে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

অবস্থান

জাদুঘরটি রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে গুগল ম্যাপের মাধ্যমে দিকনির্দেশনার ব্যবস্থাও রেখেছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজেই স্থানটি খুঁজে পেতে পারেন।

জাদুঘরের প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন পরবর্তীতে একটি ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই ৩৬ দিনের আন্দোলনে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই জাদুঘর। জাদুঘরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সেখানে ১৪০০-র বেশি শহীদ এবং ১২ হাজারের বেশি আহত ব্যক্তির স্মৃতি সংরক্ষিত ও প্রদর্শিত হচ্ছে।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের আগেভাগে অনলাইনে টিকেট বুকিং নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে, যেহেতু প্রতিদিনের স্লট দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।