ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক প্রধান উপদেষ্টাকে পাশে নিয়ে ‘জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২১ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের স্মারক সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক জাদুঘরের ফলক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা।

রাজধানীতে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ফিতা কেটে জাদুঘর উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রদর্শনী গ্যালারিগুলো ঘুরে দেখেন এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন ভিত্তি স্থাপন করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে ন্যায়বিচার ও ছাত্র-জনতার বীরত্বের ইতিহাস সঠিকভাবে জানতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই জাদুঘর সংরক্ষণ করা হয়েছে।” তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবদান এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “তরুণদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছিল, তার ইতিহাস ধরে রাখা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে এই জাদুঘর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার ঐতিহাসিক রূপান্তর পূর্ণতা পেল।”

অনুষ্ঠানটি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মাধ্যমে শেষ হয়।

জাদুঘরের মূল আকর্ষণ ও সংগৃহীত স্মারক

  • শহীদের স্মৃতিচিহ্ন: আন্দোলনে শহীদদের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, বুলেটবিদ্ধ পোশাক এবং ঐতিহাসিক ঘটনার স্থিরচিত্র।

  • গ্রাফিতি ও দেয়ালচিত্র: অভ্যুত্থানের সময় দেশজুড়ে তরুণদের আঁকা প্রতিবাদী গ্রাফিতি, ব্যানার ও পোস্টারের ডিজিটাল ও ভৌত সংরক্ষণ।

  • অডিও-ভিজুয়াল গ্যালারি: আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সংগৃহীত ফুটেজ এবং অভ্যুত্থানের গতিপথ ফুটিয়ে তোলা প্রামাণ্যচিত্র।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাবেক প্রধান উপদেষ্টাকে পাশে নিয়ে ‘জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের স্মারক সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক জাদুঘরের ফলক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা।

রাজধানীতে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ফিতা কেটে জাদুঘর উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রদর্শনী গ্যালারিগুলো ঘুরে দেখেন এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন ভিত্তি স্থাপন করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে ন্যায়বিচার ও ছাত্র-জনতার বীরত্বের ইতিহাস সঠিকভাবে জানতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই জাদুঘর সংরক্ষণ করা হয়েছে।” তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবদান এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “তরুণদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছিল, তার ইতিহাস ধরে রাখা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে এই জাদুঘর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার ঐতিহাসিক রূপান্তর পূর্ণতা পেল।”

অনুষ্ঠানটি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মাধ্যমে শেষ হয়।

জাদুঘরের মূল আকর্ষণ ও সংগৃহীত স্মারক

  • শহীদের স্মৃতিচিহ্ন: আন্দোলনে শহীদদের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত জিনিসপত্র, বুলেটবিদ্ধ পোশাক এবং ঐতিহাসিক ঘটনার স্থিরচিত্র।

  • গ্রাফিতি ও দেয়ালচিত্র: অভ্যুত্থানের সময় দেশজুড়ে তরুণদের আঁকা প্রতিবাদী গ্রাফিতি, ব্যানার ও পোস্টারের ডিজিটাল ও ভৌত সংরক্ষণ।

  • অডিও-ভিজুয়াল গ্যালারি: আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সংগৃহীত ফুটেজ এবং অভ্যুত্থানের গতিপথ ফুটিয়ে তোলা প্রামাণ্যচিত্র।