২০১৯ সালের ৬–৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।
আবরার ফাহাদ
আবরার ফাহাদ ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (EEE) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী। তিনি ১৯৯৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন। কুষ্টিয়া জিলা স্কুল ও নটর ডেম কলেজে পড়াশোনা শেষে তিনি বুয়েটে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি বিভিন্ন একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও যুক্ত ছিলেন এবং একজন শান্ত স্বভাবের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
২০১৯ সালের ৬–৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফেসবুকে কিছু রাজনৈতিক বিষয়ে মতামত প্রকাশের কারণে ছাত্র সংগঠনের একদল নেতাকর্মী তাকে আক্রমণ করে। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দেয় এবং ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করে। পরে মামলার রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত বিচারিক রায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
স্ট্যাটাসটি হচ্ছে:
| “ | ১. ১৯৪৭ এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশেে কোন সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ৬ মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিছিলো। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মংলা বন্দর খুলে দেওয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ ইন্ডিয়াকে সে মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে।২. কাবেরি নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানাড়ি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েকবছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চাই না সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড়লাখ কিউবিক মিটার পানি দিব।
৩. কয়েকবছর আগে নিজেদের সম্পদ রক্ষার দোহাই দিয়ে উত্তরভারত কয়লা-পাথর রপ্তানি বন্ধ করেছে অথচ আমরা তাদের গ্যাস দিব। যেখানে গ্যাসের অভাবে নিজেদের কারখানা বন্ধ করা লাগে সেখানে নিজের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালাব। হয়তো এ সুখের খোঁজেই কবি লিখেছেন- “পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মত সুখ কোথাও কি আছে আপনার কথা ভুলিয়া যাও।” |













