ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০১৯ সালের ৬–৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

আবরার ফাহাদ

আবরার ফাহাদ ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (EEE) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী। তিনি ১৯৯৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন। কুষ্টিয়া জিলা স্কুল ও নটর ডেম কলেজে পড়াশোনা শেষে তিনি বুয়েটে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি বিভিন্ন একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও যুক্ত ছিলেন এবং একজন শান্ত স্বভাবের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

২০১৯ সালের ৬–৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফেসবুকে কিছু রাজনৈতিক বিষয়ে মতামত প্রকাশের কারণে ছাত্র সংগঠনের একদল নেতাকর্মী তাকে আক্রমণ করে। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দেয় এবং ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করে। পরে মামলার রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত বিচারিক রায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্ট্যাটাসটি হচ্ছে:

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২০১৯ সালের ৬–৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

আবরার ফাহাদ

আপডেট সময় ১১:২৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২

আবরার ফাহাদ ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (EEE) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী। তিনি ১৯৯৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন। কুষ্টিয়া জিলা স্কুল ও নটর ডেম কলেজে পড়াশোনা শেষে তিনি বুয়েটে ভর্তি হন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি বিভিন্ন একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও যুক্ত ছিলেন এবং একজন শান্ত স্বভাবের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

২০১৯ সালের ৬–৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফেসবুকে কিছু রাজনৈতিক বিষয়ে মতামত প্রকাশের কারণে ছাত্র সংগঠনের একদল নেতাকর্মী তাকে আক্রমণ করে। এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দেয় এবং ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করে। পরে মামলার রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা দেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত বিচারিক রায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্ট্যাটাসটি হচ্ছে: